হোমায়েদ ইসহাক মুন
‘হোমায়েদ ইসহাক মুন’ এক প্রতিশ্রুতিময় অদম্য তারুণ্যের নাম; যিনি একাধারে রোমাঞ্চপ্রিয়, সেচ্ছাসেবী, প্রকৃতিপ্রেমী, রন্ধনশিল্পী, দৌড়বিদ, সাইকেল আরোহী, পর্বতারোহী, ভ্রমণ লেখক এবং আলোকচিত্রী। "ভ্রমণ আছে যার নেশায়, নিয়মিত হতে পারেনা সে পেশায়।"- এই দর্শনে তিনি পেশাগত জীবনে মুক্ত-স্বাধীন। মনের খোরাক মেটানো ও ভ্রমন খরচের জন্য- যখন যে কাজ পেয়ে যান, তখন তা করতে স্বচেষ্ট থাকেন। লিখালিখির শুরু ভোরের কাগজের ফিচার পাতা দিয়ে। সময়টা ২০০৩ এর দিকে। ভ্রমণ করতে করতে নিজের কথাগুলো যে গুছিয়ে বলা যায় লিখার মাধ্যমে; তা জানার পরেই একে একে অসংখ্য ভ্রমণ কথামালা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসমুহে ছাপার অক্ষরে প্রকাশ হতে থাকে। সঙ্গে নানান সম-সাময়িক ফিচারও। লেখকের সহায়ক অস্ত্র তাঁর ক্যামেরা, ফলে লিখার সঙ্গে ছবির মেলবন্ধন বেশ ভালো জমে উঠে। ছাত্রজীবনে ঘুরে বেড়িয়েছেন বাংলার পথ-ঘাট-মাঠ, বন-জঙ্গল-পাহাড়, নদ-নদী-হাওড়সমুহে তথা দেশের নানা প্রান্তে। স্বেচ্ছাসেবী হয়ে কাজ করেছেন অসংখ্য সংগঠনের সঙ্গে। একসময়ে সাদা-পাহাড়ের হাতছানিতে চলে গেলেন দার্জিলিং-এ। সেখানে অবস্থিত "হিমালয়ান মাউন্টেইনিয়ারিং ইন্সটিটিউট-(ঐগও)" থেকে সফলভাবে সম্পন্ন করেন "বেসিক মাউন্টেইনিয়ারিং কোর্স"। এরপর তিনি হিমালয়ের ৬১০০মিটার উচ্চতা পর্যন্ত ছুঁয়ে এসেছেন। "এভারেস্ট বেইস ক্যম্প-(ঊইঈ)" সহ বেশ কয়েকটি দুর্গম উচ্চতার ‘রি’ এবং ‘পাস’ অতিক্রম করেছেন। ফিরে এসে তাঁর অভিজ্ঞতার বর্ণনাগুলো পাঠকদের উপহার দিয়েছেন। সাইকেলে চড়ে দেশ ভ্রমণ আর পাহাড় দেখাও শুরু করেছেন এক যুগেরও বেশ আগে। ২০০৭ সালে সাইকেলে চড়ে কেওক্রাডং চূড়া ছুঁয়েছেন। চালিয়েছেন দেশের উত্তর-দক্ষিণে, পূর্ব-পশ্চিমে। সাইকেলে ঘুরে বেড়িয়েছেন নেপালের কাঠমান্ডু থেকে চিতওয়ান পর্যন্ত। লেখকের জন্ম ১১ই মাচর্ ১৯৮৫, ঢাকায়। শৈশবের অনেকটা সময় কেটেছে পরিবারের সঙ্গে আরব সাগর সংলগ্ন ওমানের তপ্ত পাহাড় আর বালুকা দেখে। ভ্রমনের হাতেখড়ি ও নেশা হয়তো সেখান থেকেই শুরু। প্রাথিষ্ঠানিক পড়াশোনা: বিএএফ শাহীন কলেজ কুর্মিটোলা থেকে মাধ্যমিক এবং বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকা থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, এআইউবি (অওটই) থেকে ব্যবসায়ে প্রশাসনে স্নাতক ও ইউল্যাব (টখঅই) থেকে "মিডিয়া স্টাডিজ এন্ড জার্নালিজমে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।