লেখকঃ নাফিজ আশরাফ এর লেখা সমূহ

লেখক পরিচিতি

লেখকের নামঃ নাফিজ আশরাফ

লেখকের জীবনীঃ

নাফিজ আশরাফ

শিক্ষা সনদের নাম মোঃ নাফিজুল ইসলাম। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখিতে হাতেখড়ি। মা প্রয়াত ফিরোজা বেগম। বাবা প্রয়াত মোয়াজ্জেম হোসেন। জন্ম : ৩০ ডিসেম্বর ১৯৫৯।
তিনি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যালেন এনটিভি’র সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নাফিজ আশরাফ নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন (এনইউজে)-এর সভাপিতর দায়িত্ব পালন করেছেন। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে। তিনি দ্বিতীয়বারের মত নারায়ণগঞ্জ জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতির পালন করছেন। টিভি সাংবাদিকতায় জেলার শ্রেষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে ‘নারায়ণগঞ্জ জেলা সমিতি’র পক্ষ থেকে ২০১৭ ও ২০২২ সালে শ্রেষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে দুইবার পুরস্কৃত করা হয়েছে।
তিন ভাই তিন বোন। বাবার দ্বিতীয় সন্তান নাফিজ আশরাফ। কথা সাহিত্যিক হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। গল্প উপন্যাস ও শিশু সাহিত্যের দশটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। সাহিত্যের অন্যান্য ক্ষেত্রেও নাফিজ আশরাফের বিচরণ। লেখেন কবিতা ও প্রবন্ধ। নারায়ণগঞ্জে সাহিত্য চর্চা ও ইতিহাস নিয়ে তাঁর বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ রয়েছে। সুপ্রতিষ্ঠিত কবি ও লেখক হালিম আজাদ এবং ড. সৈকত আসগরের লেখার ওপর গুরুত্বপূর্ণ রিভিউ করেছেন নাফিজ আশরাফ। নাফিজ আশরাফের প্রকাশিত এ পর্যন্ত ১০টি গ্রন্থের মধ্যে প্রথম প্রকাশিত গল্প গ্রন্থ- ’মারী ও মড়ক’। এ বইটি ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থ মেলায় প্রকাশ হয়। বইটির প্রচ্ছদশিল্পী ছিলেন প্রয়াত মাহবুব কামরান। নব্বই দশকের শেষের দিকে প্রকাশিত উপন্যাস- ‘অন্য কোথাও’, শিশু কিশোরদের গল্প গ্রন্থ- ‘রিজুর বিজয় মিশন’। ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশ পায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কিশোর উপন্যাস- ‘এক কিশোরের দেখা ৭১’। লেখকের অন্যতম বইগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘পাথর যখন কান্না হয়’ (গল্প), মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কিশোর উপন্যাস-’সোনারঙ ও মুক্তিযুদ্ধের পর’। কিশোর গল্প- ‘তিন তরুণের মুক্তিযুদ্ধ’। গল্প গ্রন্থ- ’মহানায়ক’। নারী মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে লেখা-‘সেবিকা ও এক যুবকের কফিন’। ভিন্ন ধারার সাহিত্য কাগজ- ’ড্যাফোডিল’-এর সম্পাদনা পরিষদ এর সাথে কাজ করেছেন নাফিজ আশরাফ। প্রগতি সাহিত্য পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্পাদনা করেছেন- ‘গতি’ এবং ‘হৃদি’ নামে দু’টি সাহিত্য ম্যাগাজিন।
তিনি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যালেন এনটিভি’র সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নাফিজ আশরাফ নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন (এনইউজে)-এর সভাপিতর দায়িত্ব পালন করেছেন। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে। তিনি দ্বিতীয়বারের মত নারায়ণগঞ্জ জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতির পালন করছেন। নাফিজ আশরাফ তিন কন্যা সন্তানের জনক। বড় মেয়ে গ্রাজুয়েশন করে নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজে কর্মরত আছেন। তিনি এক সন্তানের জননী। মেজ মেয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করে স্বামী সন্তান নিয়ে লন্ডন প্রবাসী জীবন যাপন করছেন। তৃতীয় বা ছোট মেয়ে নাবিহা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ অনার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। পরিবারের সবাই সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে উঠেছে। পেশাগত দিক থেকে প্রায় সকলেই চাকরিজীবী।
বড় ভাই এস এম ইউসুফ ইকবাল একজন নাট্যকার ও লেখক। সরকারি চাকরি ছেড়ে দীর্ঘ দিন জাপান প্রবাসে ছিলেন। তার এক ছেলে এক মেয়ে। মেয়ে সাঈদা সানজিদা ইতোমধ্যেই কবি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ছেলে নৃত্যশিল্পী এস এম হাসান ইসতিয়াক ইমরান ভারত সরকারের স্কলারশিপ নিয়ে কোলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। বর্তমানে রবীন্দ্র সৃজনকলা বিভাগে প্রভাষকের দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপিশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃত্যকলা বিভাগে অতিথি শিক্ষক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে নৃত্য প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। তার স্ত্রী জুয়েইরিয়া মৌলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। তিনিও ভারতের আইসিসি আর স্কলারশিপ নিয়ে ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম ক্লাশে মেধা তালিকায় ভরতনাট্যম নৃত্যে স্নাতকোত্তর এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল ডান্স গ্রুপ ফেডারেশন ভারত থেকে গোল্ড মেডেলসহ প্রথম ক্লাশে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করে সাত বছরের ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেছেন। মৌলি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে প্রোগাম প্রডাকশন ও নৃত্য বিভাগে সহকারী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।
নাফিজ আশরাফের ছোট ভাই ড. রফিক ইসলাম মজনু আমেরিকা প্রবাসী। তিনি ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স মেরিল্যাঅন্ড ইউনাইটেড স্টেট আমেরিকায় কর্মরত আছেন। রফিক আমেরিকার জর্জ মেশন ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেছেন মানব দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বিষয়ে। তাঁর দুই ছেলে এক মেয়ে। বড় ছেলে বায়োইঞ্জিনিয়ার। রফিক বর্তমানে কাজ করছেন, মানুষের ব্রেইনের অক্সিজেন টক্সিসিটি বসিয়ে।

লেখকের লেখা সমূহ

Scroll to Top