অরবিন্দ চক্রবর্তী

ফন্ট সাইজ-+=

পেশার মতো, অথবা

জলের ভেতর গলি, গলির ভেতরে ক্রেতা
খদ্দেরটি জলের মতো
বিক্রি
হয়ে গেল
এই যে
ওরা পরস্পর
দিকে যাচ্ছে। আমি নিহিত

চলো, চাঁদের মতো। ঠিক
মতো তোমাকে তোমার মতো। সম্ভবত
বৈদেশ
ঘুরিয়ে আনি এবং পাহাড়

নিশ্চিত করে, এই ধার্য
পানের দোকান থেকে যা দেখেছেন, আপনার
সবই কারণ সমতল, দেখার মতো মাইরি

এর বাইরে টুকরি, কত শর্ট-সিকোয়েন্স
ফুল না করে গলির ভেতর ঠাট্টা-রিপু-ছলে
জল, ড্রিবলিং হয় এমন পয়সা।

 

 

হি স্টোরি

দ্বিতীয়ার অবস্থান থেকে দুইখান নবোঢ়া
খায়, ধাক্কা। একহাত চিঠি এসে পাল্টে
বিচ্ছেদ। এলেবেলে এবং ফালির ফালি।

পেছনের খাজাঞ্চিটা রকমসকমের চৌকোমরিচ
উভয় হ্যাঙার করে। তবু ব্যবহার ঝুনো অব্যয়
সম-পর্কর থেকে বুদবুদ। কেমন রাত্রি।

দুজনই মুনলাইট পায়, সংলগ্ন
হোমোর ওপর মুখবোবা উদয় চিতিয়ে ওঠে
এদের হাসন+হেনা বলা যায়।

 

 

যেন

হচ্ছে ফারেনহাইট—নদী টানানো ওই দিকে
আমরা ঘড়িকাঁটার সঙ্গে আলাপ অতঃপর সন্তরণ
৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কারণের সঙ্গে ৩২ রকম
দেহ করে দিলাম এবং আমাদের এবংটি জানা
যেন পরেছিলাম সানগ্লাস যেন চ্যানেল যেন চৌবাচ্চা

ওই নদী পাশপাশ হাঁটে—সুতরাং চন্দ্রালোক
করেছে ফোয়ারা আমাকে, এই আমি—
যেন ব্রজেনদাশ অথবা জনৈক অথবার পুতুল

এ দূর এলাম! কারণটাই কারণ—তোমাকে ছোঁয়া
এতটাই এত যে স্পর্শপর কোনো স্বর াং ব্যঞ্জন
—থাকে না

সকলে সবার সমস্ত বহুব্রীহি
হেতু করে ঘুমের ভেতর স্বপ্নের ভেতর চাষের ভেতর
সাদাছড়ি ঠুকঠুক পূর্ণগ্রাসÑযায়Ñযেন গভীরের
তলদেশে কোনোটি ভ্রমণসহায়ক শুক্রবার নেই!

 

 

সিকোয়েন্স

জন্য বলা, ঐ-এর নিচে দাঁড়িয়ে কেউ ফুঁক খায়
এবং বিড়ির দোকান থেকে সিঁড়ি ওই পর্যন্ত
গোল করে রোয়া রোয়া ধোঁয়া দ্রাঘিমা ফুঁড়ে
ঘোড়া যায়; মতো চিতাটে, অসমাপিকা।

অমন ভেসপা গেলে কারও কারও চাপ বাড়ে। ক্ষুধাও।
তখন
দু-একখানা হরিণ মাংস খুলে পড়ে থাকে, এমনই গ্রাফিক্স।

 

 

 

যাবতীয় চুপটি

কানের গভীরে চোখ—সংলগ্ন
থেকে জানা গেল ব্রহ্মাণ্ডের কোথাও আড়াল হ্যাঁ!

এই গমন আমার তথচ
জানি না মুহূর্ত কেমন নিরজন—
তুমি—তিন সমস্ত গোপন
বিদ্যায়তনজুড়ে এই হইরই

সংকেতপ্রিয় অমন তানপুরায় একটিই মিজরাব
যেন সুসমাচার—তবুও

রেডিয়ো-টেলিকাস্টে জিভ
আরওগণ বিশ্বনিন্দুক। বলা ভালো, আমার জন্য অপেক্ষা

কমেন্ট করুনঃ

Scroll to Top
Copy link