তুমি বড়ো অস্থির
তুমি বড়ো অস্থির
মানুষের চোখে তোমার চোখের
পলক নেই
মানুষের বুকের ভিতর অতিশয়
ক্ষোভের আওয়াজ
তোমার কান খোলা নেই,সময়ের
রক্তচোষা কীট
চারপাশে উম্মাদ,নিরাময়ে তোমার
প্রস্তুতিতে নেই
তোমার গতিতে নিশ্চিতরূপ নেই।
কাগজে কল্পনার দৃশ্যপট গঠন,এটা উন্নয়ন নয়।
কথার ফুল ফুটানো খরার জমিনে প্রিয়তর নয়।
সামনে আগুন,জানো তো!আগুন প্রয়োগে
কখনো কখনো আলোকিত হয় পৃথিবী
কখনো পোড় খেলায় গৃহহীন হয় পৃথিবীর মানুষ।
দাঁড়াও,দেখো,তোমার
অনেক কিছু দেখার এখনো বাকী,আঙুলের ফাঁকে কলম নড়েচড়ে কি আঁকে আগামীর প্রস্তুতি–––।!
বেঞ্চের কোণায় বসে
সামনের কোণায় বাঁশকাঠে
মিশেল বেঞ্চ,চায়ের কাপে টুংটাং
আওয়াজ,সন্ধ্যার আলো আধাঁরের খেলায়
অল্পস্বল্প ভীড় দোকানটায়
প্রতিদিন বসা,হাতে
বনরুটি কিংবা দুটো শক্ত টোস্ট,চোখে
কৌতুহল,গপ্পোবাজের ঝড়ে যৌবনহীন
রাজনীতির রটন,কেনা সওদায় উর্ধদরের
টক জাল বাক,জীবন জীবিকার টানাপোড়ন,
সাথে একটা স্বাধীন সাম্যের গান যদি হতো?পথে
এত্ত কাঁটা তবু মানুষ আসে মানুষ যায়,বেঞ্চের
কোণায় বসে সবুজ লিকারে মিলে ঠোঁট,প্রতিদিন ––
স্টোপ জেনোসাইড,ফিলিস্তিন শিশুর শৈশবে
শৈশবেই চোখ ভরা বোমার ধোঁয়া
নিঃশ্বাসে খাঁ খাঁ রাজনীতির বিষবাষ্প
যুদ্ধ,উড়ুক্কু যানের ছোবল,চতুর্দিকে
ভাঙার শব্দ,বুক পকেট ভরা বেদনার নীল––
মৃত্যু কি নিশ্চিত!হাঁটছে ফিলিস্তিন শিশু––
ভয়ংকর সাম্রাজ্যবাদের একচোখা নীতির ভিতর––
ফিলিস্তিন শিশু,যে শিশু এখনো রাজনীতি বুঝে না
ফিলিস্তিন শিশু,যে শিশু বোমার বোতাম চিনে না
যে শিশু,পিতৃভূমির গোলাপের ঝাড় বেদখল বোঝে না
বিশৃঙ্খলে বাঁধা মায়ের মুখের চুমু,ফিলিস্তিন শিশুর।
অনাদিকাল ধরে এমন শিশুদের জীবন দুঃখরা সহচর
অনাদিকাল ধরে এমন শিশুর জন্য পৃথিবীর মানুষ
মানুষ হয়ে ওঠেনি
অনাদিকাল ধরে এসব শিশুর ভালোবাসার প্রার্থনায়
পূর্ণতার লক্ষ নেই
অনাদিকাল ধরে এসব শিশু রক্তের যুদ্ধ থেকে ফিরেনা।
দহন কাফেলা আগায় রাত্রিতে,মানবতা নিরব,অদ্ভুত
নিরবতায় দেখছে তীব্র এক সাপলুডু খেলা,জাতিসংঘ!
স্টোপ জেনোসাইড,গর্জে ওঠো প্রতিবাদের তর্জনী
বিশ্বসামর্থ্যের পুষ্ঠহাত শ্বাশত শান্তির পক্ষে দাঁড়াও
ফিলিস্তিন শিশুর শৈশব সময়ে আজ বড়ো অসময়––
তোমার শ্বাস কষ্টের শব্দ যখন
গভীর রাতে ঘুম ভেঙে যায়
তোমার,শ্রাবণে ভাদ্র প্রকৃতির মতো তাপে
পাঁজর ঘরখানিতে কিছুক্ষণ পরপর
তোমার শ্বাস কষ্টের শব্দ যখন মুখ ছাপিয়ে
বেরোয়,বরাবরের ন্যায় তুমি আমার চক্ষুর
আড়াল হও,যদি আমার ঘুম ভেঙে যায়
সন্দেহে,কোনমতে রাত কাটাও চুপি,টের পাই––
বন্ধুত্বে,ভালোবাসায় আমার নিরীহ হাতদুটো
দ্বিধাহীন নড়ে ওঠে,তোমাকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে গুটি
গুটি অক্ষরের অনুরূপ হাঁটে।রাত গভীরে
শ্বাস কষ্ট যেন অসম মৃত্যুর ভয় ঘেরা তোমার
চোখ,আমাকে পড়তে পেরেছো কি–––?
অল্প স্বল্প জীবনের গল্পে
পথে যেতে যেতে
মাঠ পেরিয়ে হাট,খেয়া পারাপারে
পূর্নতার সম্বল বলতে মানুষের স্বপ্ন ভাঙা শূন্যের
আওয়াজ,ফন্দি ফিকির ঠকবাজি কারবারির
ভীড়ে,অল্প স্বল্প জীবনের গল্পে
হাঁটতে হাঁটতে ঘড়ি বিলোয় সময়
ফাঁকে চেনা পথটুকুতে খানিক থমকে
যাই,লোবানের গন্ধ,কেঁপে উঠে
সুখমুখ বুকের ভেতর ঝরঝরে মন,শোকের
প্রাবল্যে চমকে যাই,চোখে,চির বিদায় স্টোর।
যেখানে যেতে হবে তোমার জন্য আমাকে কিংবা
আমার জন্য তোমাকে––––
আকাশে মেঘ থমথম
আকাশে মেঘ থমথম
বেঁচে থাকার ক্লান্তি –মাটিতে,–ঘাসে––
উল্টোরথে আসা উচ্ছ্বাসের মেলায় শুঁয়াপোকার
আঘাত,পথের বুননে বুননে ক্ষয়ের
ক্ষরন,এত মানুষ,মানুষের ভিতরের ঘুম,ভাঙেনা––
ঘোলা জলের ভুল জমে ফুলে উঠে শীতলক্ষ্যা নদী।
আকাশে মেঘ থমথম,কাঁপা কাঁপা শব্দ
গঞ্জের শহর ক্লেদে মাখামাখি,পরাজিত প্রেম
প্রাপ্য পাওয়ার শুরুটুকু বাকী,বৃষ্টির ইশারা,ফিরবে––
চলে না যেতে যেতে’সব কিছু নষ্টদের দখলে’ ––।
শেয়ার করতে:





কমেন্ট করুনঃ