পূর্ণিমায় লিখছি
ঘোরতর পূর্ণিমায় তোমাকে লিখছি
কামিনীর মদির ভাষায়
এতো যে ক্ষরণ, পিপাসার আকণ্ঠ গরলে
হাবুডুবু খাই
এ আমার সিনানের জল
এ আমার প্রণয় অতল
এতো সামগান, লোকচক্ষুর আড়ালে সৌধ
সেঁধিয়ে দিচ্ছি দক্ষিণা হাওয়ায়
স্বর ও ব্যঞ্জনের মালা ফেলে কোথায় পালাবে?
গৃহস্তের ঘাম শরীরে আমার
ভালো থাকবে পাট শাক – করলা ভাজি – ডাল
আর সজ্নের ঝোলে
ফুল নেই
ফুল নেই
তবু ফুলদানি বড্ড রমনীয়, দম্ভ পরাক্রম
হীরক রাজার দেশে এরকম হয়!
পড়ন্ত বিকেলে কীট নাশকের হাওয়ায়
উঠছে নামছে হীনবল প্রজাপতি সব্জির মাচায়
স্বপ্নের অবদমনের পাশে
শিশু এক ওড়াচ্ছে ঘুড়ি ইটখোলার চিমনির পাশে
প্রহেলিকাময়—
মাঠ
প্রলুব্ধ তাকিয়ে আছি চাঁদ
মাঠ ভেসে যাচ্ছে তোমার লাবণ্যে
একপাল অকাট্য শিয়াল মাঠময় হল্লা করে ফিরে যাচ্ছে যার যার ইচ্ছের বিবরে
চরাচর আমুদে আহ্লাদে রাধা
ঢলে পড়ছে সখী পত্র- পল্লবের গায়ে
হাসনা হেনা ও কামিনীর গন্ধ সম্মেলনে
আমিই ইঁদুর, আমিই বেড়াল
মাঠে পড়ে আছে কালচে রক্ত বিগত দিনের
শিরীনের বোন ৬
বিচূর্ণ আকাশ, কোনও টুকরোতেই আর
নিজেকে দেখতে পাচ্ছি না আজ
অথচ সবগুলো টুকরো আলো করে –
বসে আছে শিরীনের বোন
হেলে পড়া সূর্যের আলোয় এতোটা আবীর!
হাসে পাথরের চাঁই, লোকনিন্দার বাগানে
আমি তো সৌরভ, জলপাই পাতার ঝিলিক
মোরগের তাড়া খাওয়া মুরগির নিমরাজী দৌড়
নিজের চুলে হাত বুলিয়ে-
কখনো বা ট্যাবলেট খেয়ে শুয়ে পড়ি একা
সোনার কাঠি রূপার কাঠি বদল করে –
চলে গেছে শিরীনের বোন





কমেন্ট করুনঃ