কবির নিয়তি
একটু আগেই বৃষ্টি হয়ে গেল
তার মানে কি আকাশ মনমরা ছিল?
এমন প্রশ্ন যখন করো
তখনই মনে হয় শব্দের ভেতর নৈঃশব্দ্য হচ্ছে জড়ো!
যার মধ্যে ডুবে আছেন একজন কবি
আজীবন ঋণখেলাপি
আর তার পরিণতি
ফু দিয়ে নিভিয়ে দেয়া জন্মদিনের মোমবাতি!
বুনোফুল
ঐ নদী
দীর্ঘশ্বাসই বহে যদি
হাওয়া কেন এত ব্যাকুল?
গনতন্ত্র কি গন্ধবাহী ফুল?
তাহলে বারবার ভাঙে কেন স্বপ্ন?
আর তোমাকে কেন মনে হয় বন্য?
বন্যসুন্দর
দীর্ঘ রাত্রির ভেতর!
সিরিজ কবিতা
একটা বাছাই কবিতা সিরিজ
কিন্তু নামকরণে এত চমক ‘তীব্র ত্রিশ’!
মনে হয় তিরিশটি কবিতার চারা
সময় ঝড়ের সামনে আজ বিক্ষুব্ধ
আর তাদের সাহসিকতায় গ্রাম্য আমি
গালিবের গজলের মতো রোমাঞ্চিত।
টের পাচ্ছি পরিবর্তন পরম্পরা
আর শুনতে পাচ্ছি দূর সাইকেলের ঘণ্টাধ্বনি।
সেই ঘণ্টাধ্বনি আধুনিকতার মুখোশে
আড়াল করছে কিনা
যৌন নিপীড়িত কিংবা ধর্মীয় বিদ্বেষপ্রসূত
সামাজিক ভাবনা
সে প্রসঙ্গে আজ যাব না
তারচেয়ে ভালো লাগছে এই বিকেলে
চোখের অসুখ সারিয়ে নিতে
বৃষ্টিভেজা অলকানন্দা।
ফলে পাতার আড়াল থেকে শিস দিলেই কি পাখি
সময় পরিষ্কার কে পোশাকী
আর কার ভেতর বহিছে মন্দা।
নতুন শতাব্দী
কল্পনার অধিক কল্পনা
হয়তো ইঁদুরে কাটা নতুন জামার মতো বিড়ম্বনা!
কিন্তু নতুন শতাব্দীতে এসে একি দেখি
পাখির কণ্ঠে কেবল আমি, আমি
যেন আমিই তার জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রণামি!
এমনকি তারচেয়েও অদ্ভুত
মুখে লালা ঝরার মতোই পুরষ্কার বুদ্বুদ!
প্রাকৃতিক
মানুষ কই? মানুষ কই?
এমন প্রশ্ন ওঠে যেই
আমি ভীষণ অবাক হই।
যেন তুমি আমি আছি বনে
প্রাণীর বন্ধনে
রক্তের আদি রসায়নে!
ফলে আমি বুঝি না ময়নাপাখি
প্রকৃতি আসলে কী?
সে যদি আকার কিংবা ধরন
তাহলে তোমার চোখে আমার কেন মরণ?





কমেন্ট করুনঃ